April 20, 2026, 1:36 am

মানবিক পুলিশ অফিসার টি আই শরফউদ্দিন

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদ-উল ফিতরকে পুঁজি করে হাইওয়ে পুলিশের শিমরাইল পুলিশ বক্সে ইনচার্জ টি আই শরিফউদ্দিন, শিমরাইল ফুটপাতে কোন রকম ঝামেলা করবেনা এ শর্তে প্রায় তিন শতাধিক দোকান থেকে টি আই শরিফউদ্দিনের নামে দোকান প্রতি তিন হাজার টাকা চাঁদাবাজি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাযায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ের দক্ষিণ পাশে দোকান বসানোর কথা বলে তিন শতাধিক দোকান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক দোকানদার বলেন, আমরা গরিব মানুষ, তাই ফুটপাতে দোকান বসিয়ে, সংসার চালাতে হয়।ছেলে মেয়েদের লেখা পরা করানো,সহ সব কিছুই এখন থেকে চালাতে হয়। তাই জিবন চালানোর তাগিদে যে যা-ই বলে শুনতে হয়, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই ফায়দা লুটতেছে, খোবের সংঙ্গে একাধিক দোকানদার এভাবেই কথা গুলো বলেন।

তারা বলেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ,সহ প্রশাসনকে ম্যানেজ করার কথা বলে এই টাকা উঠানোর কথা জানান দোকান্দারা। দোকান্দারা জানান, নাসিক ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলামের নিয়োজিত চাঁদাবাজ মাসুদ, তার নিয়ন্ত্রিত চাঁদাবাজ,জামাল, সেলিম,সাদ্দাম,,নাঈম।

এ ব্যাপারে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ বক্সের টিআই প্রশাসন শরফুদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন চাঁদাবাজির ব্যপারে আমি কিছু জানিনা আপনি লিখলে যাঁরা চাঁদাবাজি করেছে তাদের বিরুদ্ধে লিখেন।তিনি আরো বলেন সামনে ঈদ সে কারনে মানবিক দিক বিবেচনা করা উচিত।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিটাগাংরোডে জনসাধারনের চলাচলের রাস্তা ফুটপাত দখল করে কোটি টাকার চাঁদাবাজি হচ্ছে। পর্দার আড়ালে থেকে ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতারা এই চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, ক্ষমতাসীনদের সাথে প্রশাসনের একটি অংশও এ থেকে বড় অঙ্কের দৈনিক ও মাসোহারা চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

যার কারনে বাইপাস সড়কে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে বিগ্ন ঘটছে । প্রায় তিন শতাধিক দোকান থেকে দৈনিক প্রতি দোকান থেকে দুইশত পঞ্চাশ টাকা প্রতিদিন ৭৫ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে ।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা